প্রকাশিত: ০৮/১১/২০২০ ১০:২৬ পিএম

সম্প্রতি আটক হওয়া রোহিঙ্গা
মিয়ানমার থেকে আসা অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসা আড়াল করতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্প বাজারের বড় বড় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেজেছে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং বাজার,বালুখালী বাজার, বালুখালী বলিবাজার, লম্বাশিয়া বাজার,জামতলী বাজারের ৯০ ভাগ দোকানের মালিক রোহিঙ্গারা। এসব বাজার গুলোতে স্থানীয়দের দোকান নেই বললেই চলে। তার মধ্যে কুতুপালং বাজারের ৮ শতাধিক দোকানের মধ্যে ৭ শতাধিক দোকানেই মালিক রোহিঙ্গা। বালুখালী সহ পাশ্ববর্তী বলি বাজারের সহাস্রাধিক দোকানের অধিকাংশ নিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে রোহিঙ্গারা। লম্বাশিয়া, জামতলী সহ অন্যন্য বাজার গুলো চিত্রও একই। এসব বাজারের দোকান গুলোতে কোটি কোটি টাকার পণ্য দিয়ে সাজিয়েছে রোহিঙ্গারা। পণ্য বিক্রি হৌক না হউক মালামাল থাকে পরিপূর্ণ। সরকারের কোনপ্রকার ট্রেড লাইসেন্স ও অনুমিত ছাড়াই কোটি কোটি টাকার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দোকান গুলোকে রোহিঙ্গারা মুলত: সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। আসলে রোহিঙ্গারা এসব ব্যবসা প্রতিষ্টানের আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ও অস্ত্র বানিজ্য। অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসা আড়াল করতেই ব্যবসায়ী সেজেছে রোহিঙ্গারা।

আটককৃত রোহিঙ্গা

কুতুপালং বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের পাশে প্রায় এক কিলোমিটার বাজার। বাইরে থেকে বুঝার উপায় নেই যে,এখানে এত দোকান। প্রায় সহাস্রাধিক দোকানের অধিকাংশের মালিক রোহিঙ্গা। এসব দোকানের মধ্যে স্বর্ণ,মোবাইল ও কাপড়ের দোকান সবচেয়ে বেশী। প্রতিটি দোকানে রয়েছে কোটি টাকার মালামাল। কুতুপালং বাজারের নাম করা রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে ইমাম হোসেন,এনায়েত উল্লাহ, ইদ্রিস, সব্বির,মেকানিক বেলাল, সাদেক, হেলাল অন্যতম। এ বাজারে এসব ব্যবসায়ীদের নামডাক বেশি। সবাই এদের চেনে। এরা দিনে ব্যবসায়ী। সন্ধ্যার পর ইয়াবা ও অস্ত্র কারবারি। এমনটাই জানিয়েছে আশেপাশের লোকজন। দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসা আড়াল করতেই তারা ব্যবসায়ী সেজেছেন।
অস্ত্রসহ আটক রোহিঙ্গা

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,মিয়ানমারের চিস্থিত ইয়াবা কারবারিদের সাথে এদের রয়েছে নিয়মিত যোগাযোগ। এদের রয়েছে বাংলাদেশি ছাড়াও মিয়ানমারের একাধিক সিম। ইয়াবা ও অস্ত্রের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত এসব ব্যবসায়ীদের রয়েছে আলাদা আলাদা সিন্ডিকেট। রোহিঙ্গা ছাড়াও স্থানীয় ইয়াবা কারবারিরা মুলত তাদের কাছ থেকেই ইয়াবা সংগ্রহ করে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করার কারনে তাদের সাথে স্থানীয় একটি মহলের সখ্যতা গড়ে উঠায় তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে।

আটক রোহিঙ্গা

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালা উদ্দিন বলেন,অস্ত্র, ইয়াবা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। বাজার গুলোর ব্যাপারেও খবরাখবর নেওয়া হবে। সেখানে অনৈতিক কিছু করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।

পাঠকের মতামত

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...
Single Page Footer